৮ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর, মহিলাদের কান ভাঙছিতে, এ কেমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হল ঘরের বউ? দেখুন, সেই মধ্যযুগীয় বর্বরতা…

সানি রয় জলপাইগুড়ি :- হঠাৎই ঘরের বউ নিখোঁজ, আর এই কথা এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই, শুরু মা কাকিমা দের পি এন পি সি….কিন্তু শেষমেষ ৮ দিন পর বাড়ির বউ বাড়িতে ফিরলেও, মহিলাদের এহেন কান ভাঙ্গানিতে, শেষ পর্যন্ত গৃহবধুর যা পরিণতি হল, তা সত্যিই যেন অত্যন্ত নিষ্ঠুরতার নিদর্শন…কারণ, সামান্য কথাতেই যে এমন ঘটনা ঘটে যেতে পারে, তা না দেখলে হয়তো আপনি কিছুতেই বুঝে উঠতে পারবেন না….আমাদের সমাজ যে এখনো মধ্যযুগীয় ধ্যান ধারণা নিয়েই চলে তা সমাজের কিছু কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা বার বার প্রমাণ করে। আর এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হয়েই এমন পথ বেছে নিতে হলো এক গৃহবধূকে….বিগত ৮ দিন আগে নিখোঁজ হয়েছিল এক গৃহবধু।এরপর ফিরে আসলেও সমাজের করা লাঞ্ছনা এবং অপমানের অভিমানেই তার এমন সিদ্ধান্ত। তবে, মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাড়ি 1 নম্বর অঞ্চলের অধীন বকরাভিটায়।ঘটনা সূত্রে প্রকাশিত,বিগত ৮ দিন আগে বকরা ভিটার স্থানীয় বাসিন্দা তাপস বর্মনের স্ত্রী সবিতা বর্মন নিখোঁজ হয়।


তবে জানা যায়,সবিতা দেবী এলাকারই এক বিবাহিত যুবকের প্রেমের ফাঁদে পা দিয়ে তার সাথেই ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছিল।এই বিষয়ে তাপস বর্মন নিউ জলপাইগুড়ি থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি অভিযোগও দায়ের করেন।এরপর ৮ দিন পর সবিতা তার স্বামী তাপস বর্মনকে ফোন করে তাকে নিয়ে যেতে বলে এবং সাথে এটাও জানায় যে সে বিপদে আছে।এরপরেই তাপস বর্মন তার স্ত্রীকে নিয়ে আসেন এবং নিজের শ্বশুর বাড়িতে রেখে দেন।এদিকে গোটা বিষয়টি এলাকার পঞ্চায়েত মালতী রায় কে জানান তাপস বাবু।এরপর পঞ্চায়েতের কার্যালয়েই সালিশি সভা বসার ছিল।তবে ঠিক গতকাল এলাকারই কিছু মহিলা নিজেরাই নিজেদের পঞ্চায়েত মনে করে তাপস বাবু কে এবং তার স্ত্রীকে আসতে বলেন।এরপর তাপস বাবু তার স্ত্রীকে নিয়ে আসলে তাদের দুইজনকেই বেধড়ক মারধোর করেন উক্ত পঞ্চয়েতনামি মহিলারা।কিন্তু শুধুমাত্র কান ভাঙানিতেই গৃহবধুর এমন সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিযুক্ত? জানান আপনাদের মূল্যবান মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে..