৫৫০ বছর ধরে কিভাবে আজও নদীয়ার বীরনগরে হয়ে আসছে অলৌকিক উলাইচন্ডির পুজো? জানুন, সেই রহস্য…..

শুভঙ্কর পাল বিরনগর :- বীরনগরে বুদ্ধ পূর্ণিমার পূর্ণ তিথিতে, তিনজন দেবী পূজিত হন,মহিষীমর্দিনী, বিন্ধ্যবাসিনী, মা উলাই চন্ডী। বীরনগরের প্রাচীন কালের নাম ছিল উলা আর এই নাম নিয়ে নানা মতভেদ আছে কার ও মতে নদীর স্রোতধারার চরে উলুখরের বন ছিল, আর সেই উলুখড়ের বানিজ্য থেকে ই জনপদ টি গড়ে উঠে নামহয় উলা গ্রাম,।তবে, নদীয়া জেলার বীরনগরবাসী_যেন অকাল দুর্গোৎসবে মেতে ওঠে এই মা-উলাই চন্ডী,বিন্ধ্যবাসিনী মাতা ও মহিষমর্দিনীর মাতার পুজোকে কেন্দ্র করে।এই পুজো বীরনগর তথা আশেপাশের এলাকার মানুষের বাসির কাছে ভক্তি, ভালবাসা ও আবেগের।

পুজোর ইতিহাস ও মাহাত্ম্য সম্পর্কেকথিত আছে ঃ শ্রীমন্ত সওদাগর নদী পথে সিংহল যাওয়ার সময় তিনি প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টির মধ্যে বিপর্যয়ের মুখে পড়েন তখন তিনি এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য উলাই চন্ডি মাতা রুপে একটি প্রস্তরখন্ডকে পূজা করেছিলেন তার থেকেই এই পুজোর প্রচলন।

আবার জানা যায় ওলাওঠা (কলেরা) রোগ থেকে মুক্তি পাবার জন্য এই দেবীর পূজা করা হতো।হাড়ি সম্প্রদায়ের লোকেরা এই পূজো কে আকড়ে ধরলেও এই পূজা ক্রমে হাতান্তর হতে থাকে।দেবী উলাই চন্ডির মুর্তি বলতে, বটবৃক্ষের নীচে একখন্ড মসৃন কালোপাথর খন্ড,জাগ্রত দেবী হিসেবে বীরনগর বাসীর কাছে পূজিত হন, কাছেই একটি বট বৃক্ষে মনঃকামনা পূরনের জন্য মাটির ঢিল বাধা প্রাচীন রীতি যা আজ ও প্রচলিত,, এই পূজো উপলক্ষে আজ বিরাট মেলা বসেছে

মানুষ প্রান ভরে সারা বছরের জিনিস কেনে আজকে দিনে এবং পুলিশ প্রশাসন থেকে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ছিলো লক্ষ্য ধিক ভক্ত সমাগম হয়েছে দাবি করছেন উলাই চন্ডী পূজা কমিটির সদস্যরা।কথিত আছে,এই বুদ্ধপুৃর্নিমার আগের দিন এক পশলা বৃষ্টি হয় মা উলাইচন্ডি তার বেদী ভক্তদের জন্য ধুয়ে দেন।এ বছর তার ব্যতিক্রম হয়নি বলে দাবি বিরনগরবাসীর।চলুন এই বিষয়ে বিরনগর উলাই চন্ডী কমিটির সদস্যরা আমাদের কেবি নিউজের বাংলার সামনে কী জানাচ্ছে আমরা বিস্তারিত শুনে নেব।