হঠাৎ করে এই ২৫ টি পরিবার কেন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে আর? তাই, আসুন তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়….

সানি রয় জলপাইগুড়ি :- কথায় বলে না ভগবানের মার শেষ রাতে, ঠিক যেন তেমনই সেই ভগবানের অভিশাপে, আজ এক নয় দুই নয় বরং 25 টি পরিবার, নাওয়া খাওয়া ভুলে, কেন এমন ভাবে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে? দেখুন…নদীর পাড়ে বাস দুঃখ বারো মাস।’ সত্যি এই। প্রবাদ বাক্যের সাথে বাস্তবের মিল রয়েছে নাগরাকাটা ব্লকের সুলকাপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ছাড়টন্ডু এলাকার বাসিন্দাদের। তাদের চরম,দুশ্চিন্তারকারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পাহাড় থেকে বয়ে আসা গাটিয়া ও বালু ঝোড়া পাহাড়িনদী। পশ্চিম দিকের রয়েছে গাটিয়া। নদী, পূর্বদিকে রয়েছে বালু ঝোড়া নদী। মাঝখানে প্রায় ২৫ টি পরিবারের বসবাস। তারা সকলেই দিন আনা, দিনখাওয়া মানুষ। কিন্তু তাদের কপালে বর্ষা আসলেই দুশ্চিন্তার ছাপ পরে।

বর্ষাকালে এক দিকে পাহাড়ি নদী থেকে বয়ে আসে জল, অপরদিকে আকাশের। বৃষ্টির স্রোত গতিতে বয়ে আসে ঘাঠিয়া ও বালু ঝোড়া নদীতে, তখনই ফুলে ফেঁপে উঠে গাটিয়া ও বালু ঝরা নদী সেই নদীর জল বৃদ্ধি পেয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে। তাই প্রতিমুহূর্তে তাদের। দুশ্চিন্তায়,থাকতে হয়। এলাকার বাসিন্দারা স্বপ্ন দেখেছিলেন তাদের দুশ্চিন্তার অবসান হবে, কারণ ভোটের সময় নেতা ও প্রশাসনিক কর্তারা আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেখানে বাঁধ হবে।কিন্তু আবারও বর্ষাকাল চলে,আসলো, তবু এই ২৫টি। পরিবারের দিকে কেউ আর মুখ তুলে তাকালো না! বাসিন্দাদের অভিযোগ ভোট আসলেই নেতা মন্ত্রীদের আনাগোনা লেগেই থাকে কিন্তু ভোট মিটলেই দেখা মেলেনাজনপ্রতিনিধিদের। খবর নেন না এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য।

গাটিয়া নদী এবং বালু ঝোড়া নদীর জল বৃদ্ধি পেয়ে বাড়িতে প্রবেশ করায় বাড়িছাড়া হতে হয় কিছু পরিবার কে। তারা আশ্রয় নেয় নির্দিষ্ট কোনো স্কুলের মাঠ বা নদীর চরের মধ্যেই তাবু খাটিয়ে। নিজেদের পাশাপাশি গবাদি পশুনিয়েও তাদের রাতের। ঘুম উড়ে যায় বর্ষা আসলে। তবে প্রশ্ন কবে চোখ খুলে দেখবে এই পঁচিশটি পরিবারের মানুষদের। কবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে এলাকার সাধারণ দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ, এখন এটাই দেখার…

জলপাইগুড়ি থেকে সানি রয়ের রিপোর্ট