সেদিন অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে উঠে, কি এমন ঘটেছিল নদীয়ার এই দম্পতির সাথে? শুনুন, তাদের মুখ থেকেই সেই আতঙ্কের কথা…..

মলয় দে নদীয়া :- ছিলেন মেয়ের কাছ থেকে দেখা করে, কিন্তু মাঝপথে যে তাদের সাথে এমন ঘটনা ঘটে যাবে, তা হয়তো এখনো দুঃস্বপ্নের মতন….কারণ, যে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এর নাম শুনলেই এখন, সকলের মধ্যেই কাজ করছে আতঙ্কের, আর সেই ট্রেনের ভেতরে থেকেই, কতখানি ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে তারা বাড়ি ফিরে আসলো নদীয়ার শান্তিপুরের? শুনুন একটিবার তাদের মুখ থেকেই…….যে ঘটনা কে ঘিরে, মৃত এবং আহতের সংখ্যা একাধিক।

যদিও ওই ট্রেনে বাড়ি ফিরছিলেন নদীয়ার শান্তিপুরের থানার মোড়ের বাসিন্দা তপন বিশ্বাস এবং কমলা বিশ্বাস। এনারা স্বামী স্ত্রী। তারা গিয়েছিলেন ত্রিপুরায় তাঁদের মেয়ের বাড়ি। সেখান থেকে আসার সময় এই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তারা। তবে সেখান থেকে আসার পর এখনো পর্যন্ত আতঙ্কের রেশ নিয়ে রীতিমতো ভয়েই দিন কাটাচ্ছেন তপন বাবু এবং তার স্ত্রী।তবে গতকালের সেই ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে এখনও শিউরে উঠছেন তপন বাবু।

তিনি জানাচ্ছেন কাল হঠাৎ সকালবেলায় ট্রেনে বাথরুমে গিয়েছিলেন। তখনই হঠাৎ পেছনদিকে সজোরে ধাক্কা লাগার ফলে ঝাঁকুনি অনুভব হয়। ট্রেনের বগিতে তিনি ছিলেন এসি কম্পার্টমেন্টের বি ওয়ান কোচের একত্রিশ এবং ৩২ নম্বর সিটে।

তবে এই ঘটনা ঘটার পরই রেলে উপস্থিত সাফাই কর্মীদের কে তিনি জানান বাইরে কি হয়েছে দেখতে? সাফাই কর্মীরা বাইরে তাকিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে বলেন, ট্রেন থেকে চলে যান ভয়াবহ দুর্ঘটনায় রেলের সমস্ত বগি উল্টে গেছে।সেই সময় প্রাণ বাঁচাতে কোন রকমে তার স্ত্রীকে নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে বেরিয়ে পড়ে তপন বাবুশুনুন বাকিটা তাদের মুখ থেকেই…..