সার্টিফিকেট নিতে গেলে চাইতে হবে ক্ষমা, দেখুন, সেই আজব কান্ড…….

মলয় দে নদিয়া :- কথাই আছে সে নির্দল, আর তাইতো তার আগে পিছে কেউই নেই….আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই, এবার সামান্য এক সার্টিফিকেটের জন্য, কেন ক্ষমা চাইতে হল এই নির্দল প্রার্থীকে তাও আবার নদীয়ার মাটিতে? দেখুন ….চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের, বাগআঁচড়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের । সেখানে তৃণমূল কর্মী কার্তিক ঘোষের অভিযোগ,কিছুদিন আগে তিনি নির্দল প্রতীক চিহ্নে জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য সুব্রত ঘোষের কাছে তার ওয়ারিশন সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য ফরম ফিলাপ করেন।

কার্তিক বাবুর অভিযোগ অনুযায়ী পরবর্তীতে বেশ কিছুদিন কেটে গেলেও সমস্ত কাগজ নিয়ে অপেক্ষার পরও ওয়ারিশন সার্টিফিকেট পান না । এরপর বাঁগাছড়া পঞ্চায়েতের প্রধান রোহিত জান এর কাছে বিষয়টি জানালে তিনি পঞ্চায়েত সদস্য সুব্রত ঘোষ কে বলেন বিষয়টি দেখে তার সার্টিফিকেট প্রদান করতে। কার্তিক বাবুর বক্তব্য অনুযায়ী পঞ্চায়েত সদস্য সুব্রত তাকে বলেন এই সার্টিফিকেট তিনি দেবেন না যতক্ষণ না পর্যন্ত সুব্রত বাবুর কাছে ক্ষমা না চায়।

এরপরই হতবাক হয়ে পড়েন কার্তিক বাবু। অবশেষে শান্তিপুরের বিডিও এর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।এ প্রসঙ্গে কার্তিক বাবু জানান, তিনি এলাকার একজন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী তাই বিগত পঞ্চায়েত ভোটে নির্দল থেকে দাঁড়ানো সুব্রত ঘোষের হয়ে ভোটে কোনো কাজ করেননি, তৃণমূল করেন তাই তৃণমূলের হয়েই ভোট প্রচার করেছেন তাই এবার তার উপর প্রতিশোধ নিচ্ছেন স্থানীয় জয়ী নির্দল পঞ্চায়েত সদস্য।

যদিও ওই পঞ্চায়েতে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি তাঁদের দখলে রাখে পঞ্চায়েত, প্রধানও বিজেপির তাই ওই নির্দলের পঞ্চায়েয়েত সদস্য বিজেপির সাথে আতাত করে তার ওয়ারিশন সার্টিফিকেট পেতে বাধার সৃষ্টি করছেন এবং জোর করে তাকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য বাধ্য করছেন।