বিশ্বজিৎ নাথ পানিহাটি :- কিবা শিব, কিবা দূর্গা কিবা কালী, সে বাড়িতেই হোক অথবা মন্দিরে সব ক্ষেত্রেই ভগবানের সেবার কারণে, মন্ত্র পাঠ করি কমবেশি আমরা সকলেই…..কারণ বিশ্বাস করা হয় মন্ত্র ছাড়া নাকি ভগবানের পুজো সম্ভব নয়, আর এই কারণেই সমগ্র হিন্দু ধর্মে মন্ত্রের এত প্রচলন….কারণ, সংস্কৃত মন্ত্র ছাড়া হিন্দু ধর্মের কোন পুজোয় সম্পন্ন হয় না। কখনো বাড়িতে পুরোহিত ডেকে, কখনো আবার নিজে নিজেই মন্ত্র উচ্চারণ করে, ভগবানকে পুজো দেওয়া হলেও, জানেন কি! সামান্য এই মন্ত্র ছাড়া সব মন্ত্রই বৃথা….তাই সারাদিন, ঘটা করে হাজার হাজার মন্ত্র দ্বারা ভগবানের পুজো করা হলেও, আপনি যদি একটিবার এই মন্ত্র মুখে না আনেন, তাহলে হয়তো আপনার সব ভক্তিই যাবে বিফলে….কারণ, এটি শুধু মন্ত্রই নয় বরং নিজের জীবনকে সুখে রাখার চাবি কাঠিও….তাই, আজ কলিযুগের শেষ লগ্নে এসে এক্ষুনি জেনেনিন কি সেই গোপন মন্ত্র, যা সারাদিনে একটিবার আপনার মুখে না আনলে দিনের শেষে সবকিছুই হয়ে যেতে পারে নীট ফর জিরো….কিন্তু আজ সত্যিই কি জানার কৌতুহল জেগেছে আপনার মনে, কি সেই গোপন মন্ত্র? যা অন্যান্য মন্ত্র কেউ হার মানাবে…জানুন…যদিও পবিত্র এই হিন্দু ধর্ম হচ্ছে শাস্ত্র নির্ভর, বেদ উপনিষদ বিভিন্ন প্রাচীন শাস্ত্রের সংস্কৃত মন্ত্র দ্বারা ভগবান সেবার বিধান রয়েছে……তাই, ৩৩ কোটি দেবদেবীর ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্র হলেও,কিন্তু, আজ এই কলিযুগে এসে যদি আপনি কোন শুভ কাজে বা ভগবানের সেবাতেও হরে কৃষ্ণ মন্ত্রটি উচ্চারণ না করেন, তাহলে সবকিছুই বৃথা…কিন্তু কেন জানেন এমনটা?কারণ, সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি প্রতিটি যুগে স্বয়ং ভগবান তার ভিন্ন ভিন্ন রূপ নিয়ে অবতীর্ণ হলেও, এই কলি যুগে ভগবানের অংশ রূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন চৈতন্য মহাপ্রভু। আর যিনিই এই হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রের দ্বারা কৃষ্ণ নাম কে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন গোটা পৃথিবী জুড়ে।তবে শাস্ত্রে এও বলা রয়েছে, হরের্নাম হরের্নাম হরের্নামৈব কেবলম, কলৌ নাস্ত্যেব নাস্তেব নাস্ত্যেব গতির্ন্যথা।

।অর্থাৎ, এই কলিযুগে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র ছাড়া কোন গতি নেই। যা, সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের একচ্ছত্র অধিপতি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে সন্তুষ্ট করার মন্ত্র….তাই, আপনি সারাদিন ঘটা করে ভগবানের সেবাতে মত্ত হলেও, মনে রাখবেন কলি যুগের এই মহামন্ত্র অর্থাৎ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে, এই মন্ত্র একটিবারের জন্য হলেও উচ্চারণ না করলে, জলাঞ্জলি যাবে আপনার সমস্ত কিছু…..তাই আমরা বলছি বলে নয়, বরং ভগবান স্বয়ং বলছেন, এই হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কেউ যদি একবারও উচ্চারণ করেন, তাহলে আর তাকে ফিরে আসতে হয় না এই জগতে।

এমনকি এই মন্ত্রের দাঁড়ায় সে প্রাপ্ত হয় ভগবত ধাম।আর সেই জন্যই আজ, বাড়ির যেকোনো পূজোতে একটি বারের জন্য হলেও বলুন হরে কৃষ্ণ…. আর দেখুন সর্বকর্ষক শ্রীকৃষ্ণের কৃপায়, আপনার জীবন কতটা সুখের হয়….তাই, আজকের এই অজানা কাহিনী, সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে, ভিডিওটিকে প্রচুর প্রচুর শেয়ার করুন….আর শেষমেষ একটিবার প্রেমসে বলুন :- হরেকৃষ্ণ 🙏🏻🥰বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে, যুবককে প্রাণে মারার উদ্দেশ্যে কারা এল আগুন ধরাতে? দেখুন, একটিবার…..হ্যাঁ আবারো সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি, তবে সেই ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড বউ হলেও, এক্ষেত্রে যুবককে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে, তালা ঝুলিয়ে, তারা এলো এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটাতে?দেখুন, শহরের বুকে সেই ঘটনা..যদিও এমনই এক ঘটনা ঘটলো, ঘোলা থানার পানিহাটি পুরসভার 19 নম্বর ওয়ার্ডের কালিতলা ঘোষপাড়া বিবেকানন্দ পার্ক এলাকাই।

অভিযোগের তির পাড়ার এক যুবকের দিকেই। জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে ঘরে শুয়ে ছিলেন শুভদীপ দে নামে ওই যুবক। তাঁর দিদা পাশের একটি বাড়িতে কাজে গিয়েছিলেন। ভুলবশত তিনি তালা চাবি বাইরে রেখেছিলেন। শুভদীপের মা তখন বাড়িতে ছিলেন না। শুভদীপের অভিযোগ, বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে লাঠিতে আগুন ধরিয়ে ঘরের মধ্যে ছুঁড়ে মারা হয়। ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। ঘরে থাকা জল দিয়ে সে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। প্রাণ বাঁচাতে শুভদীপ টালি ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসে। তারপর জল ঢেলে আগুন নেভায়। তাঁর দাবি, গতকাল পাড়ার শুভর সঙ্গে তার ঝামেলা হয়েছিল ।আর শুভই এই কাজ করেছে। আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ঘোলা থানার পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কে বা কারা জড়িত, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।