শেষ পর্যন্ত নদীয়ার জগাশুরই রাখল বিজেপির সম্মান! কিন্তু কিভাবে হল রামের ভোট বামে পড়াতেও এই সাফল্য? দেখুন…….

মলয় দে নদিয়া :- এত এক্সিট পোল, এত প্রত্যাশা কোথায় গেল আজ বিজেপির?যেখানে ১৮ থেকে ২৫ হওয়ার কথা ছিল, সেখানে কিভাবে নেমে এলো ১২তে?তবে, দিনের শেষে ভোটযুদ্ধের লড়াইয়ে যে, শেষ পর্যন্ত নদীয়ার জগন্নাথ সরকারই হাসবে, এ হয়তো সত্যিই অবিস্ময়কর।কিন্তু ডক্টর মুকুট মণিকে হারিয়ে, কিভাবে উঠল জয় জগন্নাথের হুংকার? দেখুন…..১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৭৭০ ভোটের ব্যবধানে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের জয়লাভ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ডাক্তার মুকুটমনি অধিকারী কে হারিয়ে।প্রাপ্ত ভোটের মার্জিনে রেকর্ড না হলেও জেলার মধ্যে অন্যতম সাংসদ যিনি একই সাথে বিধায়ক এবং সাংসদ ছিলেন। হারিয়েছিলেন অজয়দের মতন দীর্ঘদিনের পুরসভার চেয়ারম্যান এবং বিধায়ক কে। যদিও শেষমেষ বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সংসদ পদে বহাল থাকেন তিনি।

তবে ২০১৯ সালের সাংসদ নির্বাচনে তার বিপক্ষে প্রার্থী ছিলেন রুপালী বিশ্বাস যার হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত প্রচার করে যান শান্তিপুরে। কিন্তু সেবারে জয়ের ব্যবধান ছিল ২ লক্ষ ৩৪ হাজারের কাছাকাছি।তবে, পেশায় প্রাক্তন শিক্ষক জগন্নাথ সরকারের বিরুদ্ধে কখনো পোস্টার কখনো চাকরি কিংবা মহিলা সংক্রান্ত নানান কুৎসা উঠেছে। সম্প্রতি তার প্রার্থী পদ নিয়ে দলের মধ্যেই একটা বড় অংশ প্রকাশ্যে তার বিরোধিতা করেছে। পাশে থেকেও কাজ করেনি অনেক তাবর বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু লক্ষ্য স্থির রেখে তার চলার পথ কখনো পরিবর্তন করেননি, তাইতো এতকিছুর মধ্যেও সর্বভারতীয় বিজেপি দলের সহ-সভাপতি পদ অলংকৃত করেন তিনি। এবারেও প্রার্থী পদ ঘোষণার পর আত্মবিশ্বাসী হয়ে বলেন জয়ের ব্যবধান থাকবে চার লক্ষ, অন্যদিকে কেন্দ্রের মোদি সরকার ৪০০। যদিও কোনটাই মেলেনি কিন্তু রাজনীতিতে কখনো কখনো কর্মীদের উদ্দীপ্ত করতে এ ধরনের কথা সাবলীল।