মাকে পুজো দিয়ে ফুল খেলেই, কিভাবে সমস্ত রোগ নিমিষেই গায়েব হয়ে যাচ্ছে এই স্থানে? তাই, দেখুন……

সংকল্প দে বর্ধমান :- কি আমাদের কথাটা শুনে অবাক হলেন?ভাবছেন এ আবার কিভাবে সম্ভব? যেখানে সামান্য মাকে পুজো দিয়ে প্রসাদ রূপে একটি ফুল খেলেই, ঘটে যাচ্ছে এমন মিরাক্কেল ঘটনা?দুরারোগ্য রোগ থেকে, যেকোনো অমীমাংসিত কাজ এমনকি সমস্ত মুশকিল আসানে, কিভাবে এই স্থান আজ হয়ে উঠেছে এত জাগ্রত? দেখুন একটিবার সেই ঘটনা…কথিত আছে কলেরা গুটি বসন্ত সহ বিভিন্ন ধরনের রোগ সেরে যায় এই বোয়াইচন্ডী মায়ের কৃপায়। এমনিতে সারা বছর ৩৬৫ দিন মায়ের মন্দির খোলা থাকে।

কলেরা কিংবা গুটি বসন্ত রোগ হলে মায়ের মন্দিরে পূজো দিয়ে পুষ্প এবং ঔষধ রোগীকে খাওয়ালেই সুস্থ হয়ে যান তিনি।তবে অম্বুবাচী তিথিতে মায়ের বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয় এই তিন চার দিন ধরে দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্তবৃন্দ এসে হাজির হয় বোয়াই চন্ডী মায়ের মন্দিরে। মানসিক থাকলে মায়ের পুকুরে স্নান করে তা পূরণ করেন ভক্তরা।

কথিত আছে আজ থেকে ৫০০ বছর পূর্বে এই বোয়াইচণ্ডী মা পার্শ্ববর্তী গ্রাম কুলে গ্রামের রায়কাদিঘির এক কোণে থাকতেন। কিন্তু সেখানে অনাদরে অবহেলায় থাকার কারণে বৈয়াই গ্রামের এক ব্যক্তি বুদ্ধমন্ত্র খাঁকে তিনি স্বপ্নাদেশ দেন যে, তিনি এই গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হতে চান। সেই স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পর বোয়াইচন্ডী মাকে এই গ্রামে এনে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ইতিপূর্বে এই গ্রামের নাম ছিল বোয়াই।

কিন্তু মায়ের প্রতিষ্ঠার পর গ্রামের নাম হয় বোয়াইচন্ডী।তবে, এমন অনেক মায়ের লীলা কাহিনীর ঘটনা লোকমুখে শোনা যায়। কলেরা কিংবা বসন্ত মহামারীর আকার ধারণ করলে মা বোয়াইচন্ডী রক্ষা করেন বলে বিশ্বাস করেন এলাকাবাসী। তাইতো প্রচন্ড রোদ গরম কে উপেক্ষা করেও এ বছরও বহু ভক্তের সমাগম ঘটেছে বৈয়াই চন্ডী মন্দিরে।