ভগবানের বিয়ে তাও আবার নদীয়ার মাটিতে, এ কিভাবে সম্ভব? দেখুন, সেই আজব বিয়ে…

মলয় দে নদীয়া :- “আজ ব্রহ্মার অধিবাস,কাল ব্রহ্মার বিয়ে”গোরুর গাড়িতে টানা ঢেঁকির ওপর নারদ মুণি বসে ব্রহ্মার বিয়েতে নিমন্ত্রণ জানাচ্ছেন সারা শান্তিপুরবাসীকে।এই অভিনব পদ্ধতিতে ব্রহ্মা পুজোয় আসার নিমন্ত্রণ জানানোর ব্যবস্থা করেন বড়োবাজার ব্যবসায়ী সমিতি, তাদের সস্ত্রীক ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর দেবের পুজোতে। এখানে ব্রহ্মাদেবের পুজোকে বিবাহ হিসেবেই ধরা হয়!তাই পুজোর আগেরদিনে ব্রহ্মা থাকেন অধিবাসে!পরবর্তী দিনে শুরু হয় পুজো!সেই পুজো তে আমন্ত্রণ জানাতে ধরাধামে আবির্ভাব হয় নারদমুণির!এই নারদমুণি র আমন্ত্রণ জানানোর পদ্ধতি বড়োই অদ্ভুত ও মজার!তবে, আরেক আকর্ষণ ছেলেদের মেয়ে সেজে বেড়োনো! তারা মেয়ে সেজে মাথায় কুলো

ও বরণডালা নিয়েই পরিক্রমা করেন রাজপথ! যেন তারা বাড়ির বউদের মতোই জলসাজতে যাচ্ছেন! একবারে দেখে কেউ ধরতে পারবেন না তারা ছেলে নাকি মেয়ে! এই লুপ্তপ্রায় সংস্কৃতি কে আজও ধরে রেখেছেন বড়োবাজার ব্যবসায়ী সমিতি।এর থেকে বোঝা যায় শান্তিপুর বাসীর ভাবনা ও হাস্যরসের কথা! যা শান্তিপুরের পক্ষেই সম্ভব।আজ থেকে বহু বছর আগে বড়োবাজারের পাটের দোকান সহ আরো কিছু দোকানে বিধ্বংসী আগুন লাগলে শুরু হয় ব্রহ্মাদেবের পুজো আগামীকাল থেকে শুরু করে পাঁচদিন চলবে এই পুজো।পুজোর শেষে হবে শোভাযাত্রা সহ বিসর্জন। উপলক্ষে প্রত্যেক দিন চলবে মেলা সেখানে থাকবে পুতুল নাচ বাউল গান।