বিজেপি পরিচালিত শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির কাছ থেকে বাতানুকূল অডিটোরিয়াম ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদ

মলয় দে নদীয়া :- নির্বিকার বিডিও, অভিযোগ নিয়ে বিক্ষোভ সহকারী সভাপতির শাসক দলের বৈমাত্রিক সুলভ আচরণে বিডিওর বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলে তারই ঘরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভে বসলেন পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির। গত গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই প্রথম নদীয়ার বুকে শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতি এসেছে বিজেপির দখলে, অথচ জেলা পরিষদে ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল।

জেলা পরিষদের অর্থে নির্মিত হলেও ফুলিয়া বিডিও অফিসের পাশে পঞ্চায়েত সমিতির জায়গাতেই এককালে গড়ে ওঠা সুকান্ত ভবন সংস্কার এবং বাতানুকূল হয়েছিলো সম্প্রতি। জমির অধিকারবশত এবং ফুলিয়ার সমস্ত নাগরিকদের সুবিধার্থে ওই অডিটোরিয়াম ব্যবহারের অনুমতি অর্থ জমা চাবি পরিষ্কার করা সমস্ত দায়িত্ব পঞ্চায়েত সমিতির হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে যাওয়া হয় কৃষ্ণনগরে অবস্থিত জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে আর তার ফলেই বিপাকে পড়েছেন ফুলিয়া বাসী এমনই অভিযোগ, শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তীর।

তিনি বলেন এই বৈমাত্র সুলভ আচরণ সম্পর্কে এর আগে একাধিকবার বিডিও সন্দীপ ঘোষ কে জানানো হয়েছে, কিন্তু তিনি শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি। দিনের পর দিন এই বেনিয়মী কাজকে সমর্থন করে চলেছেন অন্যদিকে শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতি যেহেতু বিজেপি পরিচালিত তাই সকল কাজের বিভিন্ন ফর্মালিটি এবং প্রটোকল মেনে চলতে হয়। তবে সাধারণ মানুষ অতশত বোঝেনা, তাদের একটাই দাবি অডিটোরিয়াম ফিরিয়ে দিতে হবে।

অন্যদিকে সাধারণ মানুষ এবং খুলিয়ার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যারা ফুলিয়ার বুকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে থাকেন তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয় কৃষ্ণনগরে গিয়ে বুকিং করানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়, তাই ফুলিয়াতে আবেদন টাকা জমা এবং অন্যান্য বিধিব্যবস্থা করা বিশেষ প্রয়োজন।দীর্ঘ প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে এই বিক্ষোভ চললেও এখনও সমাধানের রাস্তা মেলেনি। অন্যদিকে বিডিও রয়েছেন আটকানো, যদিও তিনি তার নিজ ঘরে কাজ করছেন স্বাভাবিকভাবেই। তবে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি, শুধু বলেন বিষয়টি জেলা পরিষদের তাই যা বলার তারাই বলবেন। ইতিমধ্যেই উত্তেজনা কর পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে শান্তিপুর থানা অধীনস্থ ফুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশকর্মীরা।