বাড়ির ছাদে উঠতেই চক্ষু চড়ক গাছ! দেখুন, ফল চাষ করে কিভাবে তাক লাগালেন সকলকে…..

সানি রয় জলপাইগুড়ি :- আপনি যদি বেকারত্বের সমস্যায় জর্জরিত থাকেন, তাহলে অবশ্যই দেখুন আজকের এই ভিডিও….কারণ, চাকরি অমিলের বাজারে, বাড়ির ছাদেও যে কারোর ভাগ্য ফেরে, তার এই ঘটনার এক জলজ্যান্ত প্রমান…..দেখুন তার অসাধ্য সাধন…যদিও, বাজারে এই ফলের দাম যথেষ্ট বেশি হওয়ায় এই ফলের ব্যবসা যেমন লাভজনক তেমনি লাতিন আমেরিকা বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে একদা যে ফল ভারতে আসত তা এখন ভারতেই চাষ হচ্ছে। এই চাষ করে পয়সার মুখও দেখছেন অনেকে। এরকমই একজন মানুষ মলয় কুমার রায়।

ইচ্ছে শক্তি থাকলে অল্প পরিসরেই ড্রাগন ফল চাষ করে যে সাফল্য পাওয়া যায় তারই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। উত্তরবঙ্গে ড্রাগন ফলের চাষে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছেন তিনি।বাড়িতে চাষ করছেন ড্রাগনের। মেঠো জমিতে নয়, তাঁর ড্রাগন চাষ বেশ কিছুটা অভিনব। কার্যত ড্রাগন চাষে বিপ্লব এনেছেন মলয় বাবু।জলপাইগুড়ি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের টুপামারি এলাকায় নিজের বাড়ির ছাদেই ড্রাগন চাষ করছেন তিনি।

স্বাভাবিকভাবেই অর্থনৈক দিক থেকেও আলাদা মাত্রা যোগ করেছে এই ড্রাগন ফ্রুট চাষে। অন্যান্য চিরাচরিত ফসলের চাষের চেয়ে ড্রাগন ফল চাষ অনেকটাই অর্থকরী বলে দাবি মলয় বাবুর। এক বিঘা জমিতে এর চাষ করে প্রায় ৩-৪ লাখ টাকাও আয় করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি জানান। ছাদের এগারশো স্কয়ার ফিট জুড়ে মোট ২৫০ টি এই গাছ রয়েছে তার। শুধু শহরেই নয়, রাজার হাটের তার গ্রামের বাড়িতেও এই ফলের চাষ করে সাফল্য এসেছে।