বাড়িতে লোন নিতে আসা স্যারের সাথে গোপনে প্রেমের কারণে স্বামী টাটা বাই বাই.. কিন্তু এবার সেই স্যারকে পাওয়ার দাবিতে দেখুন কি ঘটালো এই গৃহবধূ….

মলয় দে নদীয়া :- একেই বলে অতি চালাকির ফল….আর সেই চালাকি করতে গিয়েই, যেন ফাটা পাশে আটকে গেল গৃহবধূ….কারণ স্বামী নিয়ে তার সংসার থাকলেও, বাড়িতে লোন নিতে আসা স্যারের সাথে জমে উঠেছিল গোপনে প্রেম, আর সেই আনন্দে গৃহবধূ নিজের স্বামীকে প্রত্যাখ্যান করতেই, দেখুন, আবারো গৃহবধূ সব থাকতেও কিভাবে হয়ে গেল একা…..যদিও, ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার থানারপাড়া থানা এলাকার ফাজিল নগর গ্রামে।তবে, স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার থানারপাড়া থানা এলাকার ফাজিল নগর গ্রামের বাসিন্দা যুবকের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্ক এক পড়শি যুবতীর। দুই পরিবার প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় যুবতীর বিয়ে হয় অন্যত্র।

কর্মসূত্রে ওই গ্রামেই ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার কিস্তি আদায়ের কাজ পায় ওই যুবক। পুরনো প্রেমের সম্পর্ক ফের নতুন করে তৈরি হয়। প্রেমিকের সাথে নতুন করে তৈরি হওয়া ঘনিষ্ঠতার জেরে স্বামীকে ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে আসে যুবতী। যুবতীর সঙ্গে থাকা বেশ কয়েক ভরি সোনার গহনা ও আড়াই লক্ষ টাকা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই যুবক হাতিয়ে নেই বলে অভিযোগ। ওই যুবতী কে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দীর্ঘদিন সহবাস করা হয়েছে বলে ও যুবতী অভিযোগ করেছেন।

রবিবার পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের কথা বলতে গেলে যুবকের পরিবার অস্বীকার করে। তারপরেই বিয়ের দাবিতে ওই যুবকের বাড়িতে ধর্নায় বসে যুবতী।অভিযোগ, যুবতী বাড়ির সামনে ধর্নায় বসতেই আচমকা যুবতীর পরিবারের লোকেরা তাঁকে মারধর করা শুরু করেন। খবর পেয়ে যুবতীর পরিবারের লোকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে ।যুবতীর দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সহবাস করেছেন দিনের পর দিন। বিয়ে কখন করবে বলতে গেলেই বেশ কয়েক দিন ধরেই ধমক দিচ্ছিলেন তিনি। এর পরেই তাঁর বাড়ির সামনে বিয়ের দাবিতে ধর্নায় বসার সিদ্ধান্ত।