প্রথমবার বিজেপির জয়ীদের মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা কম, আপাতত দু’জনেরই শিকে ছিঁড়তে পারে

বাংলায় বিজেপির আসন এবার কমেছে। ১৮ থেকে কমে হয়েছে ১২। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও বাংলা থেকে প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ার সম্ভাবনাই এবার বেশি।সূত্রের দাবি, মোদী মন্ত্রিসভায় আগে বাংলার প্রতিনিধিত্ব ছিল মাত্র দুই।পরে বেড়ে হয় চার। এবার আবার নেমে আসতে পারে দুইয়ে। আবার বিজেপির একটি সূত্র এও দাবি করছে যে রবিবার বাংলার কেউ শপথ নাও নিতে পারেন। এদিন হয়তো সীমিত সংখ্যক সাংসদ শপথ নেবেন। তার পর মাস খানেক বাদে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হবে। তখন বাকিদের নেওয়া হবে মন্ত্রিসভায়। এখন সবচেয়ে বড় কৌতূহলের বিষয় হল, আদৌ যদি এ যাত্রায় বাংলা বিজেপির শিঁকে ছেড়ে তাহলে কারা মন্ত্রী হতে পারেন?মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা গঠনের সময়ে যখন সবটা আগে থেকে জানা যায় না, মোদী মন্ত্রিসভার ক্ষেত্রেও তাই। রবিবার সকালে দেখা গিয়েছে, তমলুকে নতুন জেতা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সেজেগুজে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। দিল্লি গিয়েছেন হেরে যাওয়া দুই সাংসদ দিলীপ ঘোষ ও অর্জুন সিংও।

তবে বিজেপি সূত্রের মতে, প্রথম বার যাঁরা সাংসদ হিসাবে জিতেছেন, তাঁদের মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা তুলনায় কম।উত্তরবঙ্গে প্রথম বার সাংসদ হয়েছেন মাত্র দুজন। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা ও রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক পাল। বাকি চার জন তথা দার্জিলিংয়ের রাজু বিস্ত, জলপাইগুড়ির জয়ন্ত রায়, বালুরঘাটের সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু এই নিয়ে দ্বিতীয় বার জিতলেন। দক্ষিণবঙ্গে প্রথমবার জিতেছেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী ও তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এই নিয়ে তিন বার সাংসদ হলেন।এর মধ্যে বিজেপির টিকিটে জিতলেন দু’বার। বনগাঁর শান্তনু ঠাকুরও, পুরুলিয়ার জ্যোতির্ময় মাহাতো ও রানাঘাটের জগন্নাথ সরকারও দুবার জিতলেন। বাংলা থেকে দুজন মন্ত্রী হলে অবধারিত ভাবেই একজন উত্তরবঙ্গ থেকে হবেন একজন দক্ষিণবঙ্গ থেকে। কারণ, বিজেপির ১২ জন সাংসদের মধ্যে ৬ জন উত্তরবঙ্গের ৬ জন দক্ষিণবঙ্গের। বিজেপি সূত্রে বলা হচ্ছে, নির্দিষ্ট করে কারা মন্ত্রী হচ্ছেন বা আদৌ কেউ হচ্ছেন কিনা তা দুপুরের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে।