কেন নদীয়ার এই ডাক্তারবাবুর দুর্ব্যবহারে আজ চিকিৎসার প্রয়োজন? দেখুন, নদীয়ার বুকে ঘটে যাওয়া এক অমানবিক ঘটনা….

মলয় নদিয়া দে :- ও ডাক্তার, কতশত পাশ করে এসেছো বিলেত ঘুরে মানুষের যন্ত্রণা ভোলাতে….কিন্তু, মানুষের যন্ত্রণা ভোলাতে গিয়ে, এ কেমন দুর ব্যবহার তোমার?তবে কি সত্যিই, নদীয়ার এই ডাক্তারবাবুর চিকিৎসার প্রয়োজন? নাকি হাসপাতালে কোন পেশেন্ট গেলেই, এমন ঘটনার সম্মুখীন থাকতে হবে আপনাকেও…..দেখুন, এক ডাক্তারবাবুকে নিয়ে কিভাবে শোরগোল পড়ে গেল সর্বত্র…..সরকারি হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের অসহযোগিতার কথা তুলে রোগীর পরিবার উঠলো খেপে। তবে, চিকিৎসকের দাবি তাকে হেনস্থা এমনকি তাকে ধাক্কাধাক্কি করেছে রোগীর পরিবার।

অথচ তিনি ব্যস্ত ছিলেন তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এক বৃদ্ধ পেশেন্টকে বাঁচাতে। অন্যদিকে রোগীর পরিবার থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয় ডাক্তারবাবুরই প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসার প্রয়োজন উনার অস্বাভাবিক কথাবার্তা এবং ব্যবহারের জন্য এর আগেও বারংবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। তিনি যদি প্রকৃতপক্ষেই ব্যস্ত থাকতেন তাহলে মুখে বলতে পারতেন কিছুক্ষণ বাদে কথা বলছি, কিন্তু তা না করে তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মোবাইলে ছবি তুলতে শুরু করেন।আর এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি গতকাল ঘটে নদীয়ার ফুলিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।

সেখানে ওয়ার্ডে ভিজিট চলাকালীন হাসপাতাল এমার্জেন্সিতে জরুরি পরিষেবা প্রদান করতে সিস্টারের কথায় ছুটে আসতে হয় চিকিৎসককে। ঘটনায় চিকিৎসককে মারধর এবং মেরে ফেলার হুমকি ভর্তি থাকা এক রোগীর পরিবারের যিনি একজন বিজেপি র সক্রিয় কর্মী।অভিযোগকারী ডাক্তার সুজন দাসের কথায় দীপক সরদার নামে ফুলিয়ার বয়রা নিবাসী রোগীর পিতা বারংবার নিজেকে বিজেপির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন এবং বাড়তি গুরুত্ব পেতে চাইছিলেন । একজন চিকিৎসকের কাছে সকলেই সমান তাই ব্যক্তি নয় রোগের গুরুত্ব অনুযায়ী অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। আর এখানেই আপত্তি তাদের।