কখনো ভাইয়ের সামনে দাদাকে, আবার কখনো স্ত্রীকে জঙ্গলে তুলে নিয়ে গেলেও, আজও শুধুমাত্র মাছ কাঁকড়া ধরার জন্য এলাকাবাসী কেন ছুটে যায় জঙ্গলে? দেখুন, সেই ঘটনা….

বাবলু প্রামাণিক দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :- একবার ভাবুন তো! আজ আমরা কতটা সুখী রয়েছি, কিন্তু সুন্দরবনের এই এলাকা জীবন বাজি রেখে সামান্য মাছ কাকড়া ধরার আশায় জঙ্গলে গেলেও, ঘটে যায় এমন ঘটনা, যা সত্যিই অত্যন্ত বেদনাদায়ক….কিন্তু সেই জঙ্গলে কে এমন রয়েছে যে, কখনো ভাইয়ের সামনেই দাদাকে, আবার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে এমন ভাবে?তাই, আজ একটিবার এই ঘটনা দেখার অনুরোধ রইল সকলের কাছে…যদিও, এই গ্রামে বাস করে প্রায় ৩০৪টি পরিবার, জনসংখ্যা প্রায় ২০০০। আর এই পরিবার গুলির মহিলা এবং পুরুষ সংসার চালাবার জন্য নিত্য জীবনের সঙ্গে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

সুন্দরবনের বিভিন্ন জঙ্গলে কখনো মধু ভাঙতে, কখনো কাংড়া ধরতে আর কখনো বা মাছ ধরতে যেতেই হচ্ছে।আর সেই জঙ্গলে যাওয়াই হয়েছে কাল। কারণ, কয়েক বছরের মধ্যে ২২ জনকে ধরেছে বাঘ এবং কুমিরে ,তার মধ্যে মারা গেছে ১৪ জন, ৩ জন নিখোঁজ ৫:জন বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বাড়ি ফিরেছে, কাউকে বাঘের সঙ্গে লড়াই করে ফিরিয়ে এনেছে স্ত্রী, কাউকে তার ভাই কাউকে আবার তার বাবা সঙ্গী সাথীরা।কিন্তু জঙ্গলে বাঘের ভয় থাকা সত্ত্বেও, কেন ভাইয়েরা যায় জঙ্গলে জীবনে বাজি রেখে, এ প্রশ্নের উত্তর খুবই বেদনাদায়।

কারণ, সরকার তাদের দিকে তাকাচ্ছে না যদি অবাক আদিবাসী সমাজের জন্য রয়েছে নারান রকম সুযোগ-সুবিধা, সে শুধু কাগজ-কলমে বাস্তবে তার উপায় হয় না, তাদের নামে কোন কিছু সরকারি ফান্ড এলে তাদের কাছে আসে না বিভিন্ন হাত গড়ে হাওয়া হয়ে যায় এমনকি বাঘের কামড়ে মৃত্যু হলে বা ক্ষতবিক্ষত হলে যে টাকা প্রতিশ্রুতি দিলেও সে প্রতিশ্রুতি পূরণ করে না কেউ,বাধ্য হয়েই তাদের জঙ্গলে যেতে হয়।