উজবেকিস্তান থেকে নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জে এলো এক রহস্যময় ফোন! দেখুন, পরবর্তীতে ‘আমকান্ডে’ কিভাবে জড়িয়ে পড়লো তারা…

অঞ্জন শুকুল নদীয়া :- কি আমাদের কথাটা শুনে চমকে উঠছেন?ভাবছেন! সুদূর উজবেকিস্তান থেকে নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জে করায় বা করল এই ফোন?তবে প্রথমে সবাই এই ফোন পেয়ে হক চকিয়ে গেলেও, দিন বাড়ার সাথে সাথে তারা কিভাবে জড়ালো নদীয়ার আমকাণ্ডে? দেখুন, সেই ঘটনা…..তবে আপনারা যেটা ভাবছেন সেটা কিন্তু একেবারেই নয়, বরং এর পেছনেই রয়েছে নদীয়ার এক বড়সড় সাফল্য…..কারণ,

নদীয়ার লিচু পৌঁছে যাচ্ছে আফগানিস্তানে তো কখনো আবার নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জের হিমসাগর আম চলে যাচ্ছে উজবেকিস্তানে।তবে জানা গিয়েছে, রিসার্চ এগ্রো বায়ো কোম্পানি উজবেকিস্তানের একটি কোম্পানিকে এনেছিল যারা কৃষ্ণগঞ্জ মাজদিয়ার মধুরাপুরের আম বাগানে । আম বাগানে এসে তারা নির্দিষ্ট ১০ টি আমের গাছকে বায়ো পেস্টিসাইডস পদ্ধতিতে ফলনের দিকে নজর দেয়। তারা বলেছিল আমের ফলন যেমনই হোক না কেন তারা সমস্ত আম নিয়ে যাবে।

কোনরকম ভাবেই কীটনাশক ঔষধ আমের ফলনে ব্যবহার করা যাবে না ।অনাবৃষ্টি এবং প্রখর দাবদাহে অন্য বাড়ের তুলনায় এবারে আমের ফলন যথেষ্ট কম হলেও এই দশটি গাছে আমের মোটামুটি ভালই ফলন হয়েছে । শুধু তাই নয় আম চাষি আরো জানালেন বাজার কেজিপ্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে হিমসাগর আম ।

সেখানে এই হিমসাগর আম ডবল দাম দিয়ে তারা সমস্ত আম কিনে নিয়েছেন । অর্থাৎ কেজি প্রতি হিংসাগর আম ১২০ টাকা দামে তারা কিনে নিয়েছেন একদিকে যেমন আম চাষীরা ডবল লাভের মুখ দেখছেন তেমনি নদীয়ার আম বিদেশের মাটিতে বিদেশী মানুষদের রসনার তৃপ্তি করছে এটি যথেষ্ট গর্বের বিষয় বলে তারা মনে করছেন।