অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হয়েও, কেন তিনি আজ সর্বহারা? দেখুন, যে শিক্ষকের ঘটনা দেখলে হয়তো আপনার চোখ দিয়ে জল ঝরবে……

মলয় দে নদিয়া :- কি খুব অবাক হচ্ছেন তাই না…ভাবছেন একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সে তো তার কর্মজীবন শেষ করে, বর্তমানে পেনশন পাচ্ছেন..কিন্তু তা সত্বেও তিনি কেন আজ এতটা অসহায়?তবে না তিনি অসহায় নন, বরং তার পরিবর্তে দেখুন এই অধ্যাপক বাবুকে, আজ কিভাবে হয়ে যেতে হল সর্ব শান্ত…এক অধ্যাপকের কাছ থেকে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা ছিনতাই হয়ে যাওয়ার পর পাঁচ দিনের মধ্যে কুলকিনারা খুঁজে বের করলো নদীয়ার শান্তিপুর থানার পুলিশ।

অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৩৫ হাজার ২০০ টাকা, যদিও তাকে আদালতে তোলা হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরো সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক কে থানায় ডেকে তার হাতে টাকা তুলে দিলেন শান্তিপুর থানার পুলিশ আধিকারিকরা।

উল্লেখ্য,, গত চৌঠা জুন দুপুরবেলায় নদীয়ার শান্তিপুর ডাকঘর মোর সংলগ্ন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে পেনশনের টাকা তুলেছিলেন ওই অধ্যাপক, এরপর রাস্তায় বেরোতেই বাড়ির সামনের গলি থেকে প্রকাশ্য দিবালোকে একটি কালো মোটরবাইক নিয়ে পিছন দিক থেকে আসা দুই যুবক অধ্যাপকের হাত থেকে টাকার ব্যাগ ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়, এরপরেই হতাশ হয়ে পড়েন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মনিন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য।

সাথে সাথেই শান্তিপুর থানা দারস্থ হয়ে ঘটনা পুলিশকে জানান তিনি, এরপর দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। যদিও চার দিনের মাথায় অভিযুক্ত বকতিয়ার উদ্দিন মণ্ডল কে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা যায় ধৃতের বাড়ি নদীয়ার চাপরা থানা এলাকায়, আজ ছিনতাই হয়ে যাওয়া টাকার মধ্যে ৩৫ হাজার ২০০ টাকা হাতে পাওয়াতে খুশি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক।

তিনি বলেন, তিনি ভাবতেই পারেননি তার এই টাকা ফেরত পাবেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি যথেষ্টই প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, তার হাতে অনেক ছাত্রয় আজ আইপিএস কেউ আবার আইএস হয়েছে, পুলিশের প্রতি তার আগাগোরাই সম্মান রয়েছে, এত তাড়াতাড়ি পুলিশ স্কুল কিনারা খুঁজে বের করাতে তিনি শান্তিপুর থানা পুলিশকে জানিয়েছেন কুর্নিশ।